স্যারের রুম থেকে বেরিয়ে মেজাজটা পুরো বিগড়ে গেল। স্যারের কথাবার্তায় কবিতা জিনিসটা নিয়ে আমার ভেতর মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ শুরু হয়ে গেল। কবি হিসেবে জীবনানন্দ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেমন ছিলেন ভাবতে লাগলাম। ভেবে পেলাম যে, আধুনিক কালে কেউ কবি হতে পারে না, যারা এদিকে একটু-আধটু এগিয়ে যায় তারা মূলত ভাবের কবি। সুকান্ত, নজরুল, জীবনানন্দ, রবীন্দ্রনাথ এরাই মূলত আসল কবি। কবিতার নিগূঢ় কথা ভেবে নিজের মনকে কুসাহিত্য থেকে রক্ষার চেষ্টা করলাম।
সাহিত্যের এপাশ-ওপাশ ভেবে আমি যখন সাড়া হচ্ছি তখন স্কুলের বারান্দায় আমার সাথে দেখা হল পেত্নির চেয়েও ভয়ঙ্কর নিশির সাথে। পেত্নির মতো ওর কোন স্বভাব ছিল কিনা জানি না তবে আমার পেছনে লেগে থাকত বলে ওর সাথে দেখা হওয়া মানে ভূত পেত্নির সাথে দেখা হয়েছে বলে মনে হতো। স্বুলের অন্য কোন ছেলের সাথে ওর কোন দ্বন্দ বিরোধ নেই, যত ঝামেলা আমার সাথে। আমিও তাই এ মেয়ের পাশ কেটে চলতাম । কিন্তু আমি যত এর পাশ কাটি এ তত আমার পাশে আসে।
আমাদের স্কুলে ও মাত্র নতুন এসেছে, তিনমাস হলো। এর ভিতরে পুরো স্কুল মাথায় করে নিয়েছে। সকল স্যারের প্রিয় ছাত্রী এই পেত্নি নিশি। ক্লাসেও স্যাররা এই মেয়ে ছাড়া আর কাউকে চিনে বলে মনে হয় না। কিছু হলেই স্যার বলবে, ‘নিশি মা, একটু এদিকে আয় তো’। ‘নিশি, এই ছেলেগুলোর পড়া ধরতো।’ আমরা চার বছর এই স্কুলে পড়েও স্যারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারলাম না, আর ও তিনমাসেই স্যারদের মধ্যমনি হয়ে বসেছে! এই মেয়ের জন্য আমার স্কুল লাইফ পুরো বরবাদ হওয়ার অবস্থা। কেউ কেউ ভাবছে ও নাকি আমার প্রথম স্থান কেড়ে নিবে। অবশ্য সবার ভাবনাটাকে আমি উড়িয়ে দিতে পারি না। আমার নিজের ভিতরও এ ধারণা বদ্ধমূল হয়েছে, এ মেয়ের দ্বারা সব সম্ভব।
আমার হাতে ছিল সদ্য ‘লতফ শাহম’ স্যার থেকে প্রাপ্ত তার বিনামূল্যে অটোগ্রাফ। ছিড়ে ফেলতেও পারিনি তাতে ঝামেলা যে আরো কতগুন বাড়বে সে আমার ভাল করে জানা আছে। নিশিকে সামনে পেয়ে আমার বুকটা ছেদ করে উঠল। স্যারের অটোগ্রাফ লুকিয়ে কোন রকমে ওর পাশ কাটানোর চেষ্টা করলাম। কিন্তু এ মেয়ে আমায় ছাড়ল না। জিজ্ঞাসা করল, “দেখি তোর হাতে কি?” আমি পাত্তা না দেয়ার ভান করে বললাম, “কিছু না।” মেয়েটা এমন পাজি ঠুস করে টান দিয়ে আমার হাত থেকে কাগজটা নিয়ে নিল। তারপর ‘লতফ শাহম স্যারের অটোগ্রাফ’, ‘লতফ শাহম স্যারের অটোগ্রাফ’ বলে চেঁচাতে লাগল। লজ্জায় আমার পুরো শরীর ঘেমে গেল। কয়েকবার বৃথা চেষ্টা করলাম কিন্তু ওর থেকে কাগজটা উদ্ধার করা সম্ভব হল না।
কিছুক্ষণের ভিতর পুরো স্কুলে ছড়িয়ে গেল আমি ‘লতফ শাহম’ স্যারের অটোগ্রাফ সংগ্রহের জন্য স্যারের দ্বারস্থ হয়েছি। পুরো ক্লাসের ভিতর ছিঃ ছিঃ রব পড়ে গেল। সদ্য কবিত্ব পাওয়া মজনু এসে আমায় বলল, “তুই লতফ শাহ স্যারের অটোগ্রাফ না নিয়ে আমার অটোগ্রাফ নিলে তোর অটোগ্রাফ সংগ্রহশালা আরো সমৃদ্ধ হতো।”
মজনুর বাচ্চাকে থুক্কু মজনুর বাপের বাচ্চাকে কি বলব ভেবে পেলাম না। সমস্ত শরীর রাগে ঝা ঝা করতে লাগল। আজ ঐ মেয়েকে কিছু না বললে পুরুষ সমাজের উপর যে কলঙ্ক পড়বে তা হয়ত রামায়ণ দ্বারাও শুদ্ধ করা সম্ভব হবে না। তাই পুরুষ জাতির মান রক্ষার্থে সংকল্পবদ্ধ হলাম।
ছুটির পর নিশি ওর বান্ধবীদের সাথে যায়। ওদের বাড়ির পথ আর আমাদের বাড়ি যাওয়ার পথ একই। ভাবলাম, যা সংকল্প করেছি তা চরিতার্থ করতে না পারলে ছেলে হয়ে জন্মানোই বৃথা। তাই সারাদিনের সমস্ত রাগ সাহসে পরিণত করে সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। বললাম, “তুমি আমার নামে স্কুলে এগুলো রটালে কেন? তোমার সাথে আমার কিসের শত্রুতা?” নিজের সাহস দেখে নিজেই মুগ্ধ হলাম। ভেতর থেকে নিজেকে বাহবা দিলাম, সাবাস বেটা!
আমার এ হুংকারি ভাব দেখে নিশিও কিছুটা অবাক হয়েছে বলে মনে হলো। সে মুখের ভাব পরিবর্তন করে বলল, “যা সত্যি তাই তো বললাম। আর তাছাড়া আমার ইচ্ছে হয়েছে।” শেষ কথাটা শুনে আমার পুরো শরীরে আগুন ধরে গেল। তবু নিজেকে ধরে রেখে বললাম,“ইচ্ছে হলেই সব করবে নাকি?”
আমায় ভেংচি কেটে বলল,“হ্যাঁ, ইচ্ছে হলে সব করব।” এ কথা শুনে আমি নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলাম না। সমস্ত রাগ শক্তির রূপান্তরের মতো ওর নরম গালে চড় হিসেবে গিয়ে বসল। আমি আর অপেক্ষা না করে বাড়িমুখো হলাম। ওর বান্ধবীরা গালি দিয়ে আমার বংশ উদ্ধার করল। শুধু এটুকু দেখলাম, পেত্নি নিশি গালে হাত দিয়ে মুহূর্তকালের জন্য স্থির হয়েছিল।
বাড়ি এসে উচিত মত একটা কাজ করেছি বলে মনে হলো। এ শাস্তি যে ওর প্রাপ্য ছিল সে নিয়ে আর বিচার বিশ্লেষণ করলাম না। তবে চড়টা কী আমি দিয়েছি নাকি আমাকে দিয়ে কেউ দিয়েছে সে বিষয়ে যথেষ্ট সংশয় ছিল। আমার হাত কেমন করে উঠেছিল তা আমার কাছে মহাবিশ্বের রহস্যের মত রহস্যজনক মনে হলো।
মন থেকে রাগ মুছে গেলে মানুষ অনেক কিছু ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখতে পারে। আমার অবস্থাও হলো ঠিক তাই। মনের ভেতর কেমন যেন অনুশোচনা হতে লাগল। বার বার মনে হতে লাগল কাজটা ঠিক করিনি। সারাদিন কোন কাজে মন বসাতে পারলাম না। মনটা কেমন যেন আকুলি- বিকুলি করতে লাগল।
বিকেলবেলা তুরাব, অনিক আর স্নিগ্ধদের সাথে ক্রিকেট খেলতে মাঠে গেলাম। খেলাতেও ঠিক মন বসাতে পারলাম না । আগে যেখানে বল করতে নেমে এক ওভারে দুই তিনটা উইকেট ফেলে দিতাম আজ সেখানে এক ওভাবে দিলাম, পাঁচ-পাঁচটা ওয়াইড। ব্যাটিংয়েও ব্যর্থ, দশ রানের বেশি করতেই পারলাম না। সবাই বলল,“কিরে আজ তোর এ অবস্থা কেন? একেবারেই যে পারছিস না।” আমি কোন উত্তর দিলাম না।
রাতের বেলা পড়তে গিয়েও একই অবস্থা হল। বার বার উচ্চস্বরে পড়েই যাচ্ছি কিন্তু মাথায় কিছু ঢুকল বলে মনে হয় না। সামনে বই খোলা রেখে নিশির গালে হাত ধরা সেই স্তম্ভিত মূর্তিটা চোখে ভাসতে লাগল। মনের ভেতর থেকে পেতিœ ভাবটা কেটে গিয়ে সদা হাস্যোজ্জল, সবার সাথে বন্ধুসুলভ একটা মেয়ের ছবি ভাসতে লাগল। ওর সাথে পূর্বেকার ঘটনাগুলো মনে পড়তে লাগল। আর নিজেকে কেমন যেন অপরাধী মনে হল। কী করব ভেবেও পেলাম না। শুধু নিজেকে শাসন করে বললাম, “একটু না হয় বাদরামি করলই, তাই বলে চড় মারতে হয় নাকি!”
সাহিত্যের এপাশ-ওপাশ ভেবে আমি যখন সাড়া হচ্ছি তখন স্কুলের বারান্দায় আমার সাথে দেখা হল পেত্নির চেয়েও ভয়ঙ্কর নিশির সাথে। পেত্নির মতো ওর কোন স্বভাব ছিল কিনা জানি না তবে আমার পেছনে লেগে থাকত বলে ওর সাথে দেখা হওয়া মানে ভূত পেত্নির সাথে দেখা হয়েছে বলে মনে হতো। স্বুলের অন্য কোন ছেলের সাথে ওর কোন দ্বন্দ বিরোধ নেই, যত ঝামেলা আমার সাথে। আমিও তাই এ মেয়ের পাশ কেটে চলতাম । কিন্তু আমি যত এর পাশ কাটি এ তত আমার পাশে আসে।
আমাদের স্কুলে ও মাত্র নতুন এসেছে, তিনমাস হলো। এর ভিতরে পুরো স্কুল মাথায় করে নিয়েছে। সকল স্যারের প্রিয় ছাত্রী এই পেত্নি নিশি। ক্লাসেও স্যাররা এই মেয়ে ছাড়া আর কাউকে চিনে বলে মনে হয় না। কিছু হলেই স্যার বলবে, ‘নিশি মা, একটু এদিকে আয় তো’। ‘নিশি, এই ছেলেগুলোর পড়া ধরতো।’ আমরা চার বছর এই স্কুলে পড়েও স্যারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারলাম না, আর ও তিনমাসেই স্যারদের মধ্যমনি হয়ে বসেছে! এই মেয়ের জন্য আমার স্কুল লাইফ পুরো বরবাদ হওয়ার অবস্থা। কেউ কেউ ভাবছে ও নাকি আমার প্রথম স্থান কেড়ে নিবে। অবশ্য সবার ভাবনাটাকে আমি উড়িয়ে দিতে পারি না। আমার নিজের ভিতরও এ ধারণা বদ্ধমূল হয়েছে, এ মেয়ের দ্বারা সব সম্ভব।
আমার হাতে ছিল সদ্য ‘লতফ শাহম’ স্যার থেকে প্রাপ্ত তার বিনামূল্যে অটোগ্রাফ। ছিড়ে ফেলতেও পারিনি তাতে ঝামেলা যে আরো কতগুন বাড়বে সে আমার ভাল করে জানা আছে। নিশিকে সামনে পেয়ে আমার বুকটা ছেদ করে উঠল। স্যারের অটোগ্রাফ লুকিয়ে কোন রকমে ওর পাশ কাটানোর চেষ্টা করলাম। কিন্তু এ মেয়ে আমায় ছাড়ল না। জিজ্ঞাসা করল, “দেখি তোর হাতে কি?” আমি পাত্তা না দেয়ার ভান করে বললাম, “কিছু না।” মেয়েটা এমন পাজি ঠুস করে টান দিয়ে আমার হাত থেকে কাগজটা নিয়ে নিল। তারপর ‘লতফ শাহম স্যারের অটোগ্রাফ’, ‘লতফ শাহম স্যারের অটোগ্রাফ’ বলে চেঁচাতে লাগল। লজ্জায় আমার পুরো শরীর ঘেমে গেল। কয়েকবার বৃথা চেষ্টা করলাম কিন্তু ওর থেকে কাগজটা উদ্ধার করা সম্ভব হল না।
কিছুক্ষণের ভিতর পুরো স্কুলে ছড়িয়ে গেল আমি ‘লতফ শাহম’ স্যারের অটোগ্রাফ সংগ্রহের জন্য স্যারের দ্বারস্থ হয়েছি। পুরো ক্লাসের ভিতর ছিঃ ছিঃ রব পড়ে গেল। সদ্য কবিত্ব পাওয়া মজনু এসে আমায় বলল, “তুই লতফ শাহ স্যারের অটোগ্রাফ না নিয়ে আমার অটোগ্রাফ নিলে তোর অটোগ্রাফ সংগ্রহশালা আরো সমৃদ্ধ হতো।”
মজনুর বাচ্চাকে থুক্কু মজনুর বাপের বাচ্চাকে কি বলব ভেবে পেলাম না। সমস্ত শরীর রাগে ঝা ঝা করতে লাগল। আজ ঐ মেয়েকে কিছু না বললে পুরুষ সমাজের উপর যে কলঙ্ক পড়বে তা হয়ত রামায়ণ দ্বারাও শুদ্ধ করা সম্ভব হবে না। তাই পুরুষ জাতির মান রক্ষার্থে সংকল্পবদ্ধ হলাম।
ছুটির পর নিশি ওর বান্ধবীদের সাথে যায়। ওদের বাড়ির পথ আর আমাদের বাড়ি যাওয়ার পথ একই। ভাবলাম, যা সংকল্প করেছি তা চরিতার্থ করতে না পারলে ছেলে হয়ে জন্মানোই বৃথা। তাই সারাদিনের সমস্ত রাগ সাহসে পরিণত করে সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। বললাম, “তুমি আমার নামে স্কুলে এগুলো রটালে কেন? তোমার সাথে আমার কিসের শত্রুতা?” নিজের সাহস দেখে নিজেই মুগ্ধ হলাম। ভেতর থেকে নিজেকে বাহবা দিলাম, সাবাস বেটা!
আমার এ হুংকারি ভাব দেখে নিশিও কিছুটা অবাক হয়েছে বলে মনে হলো। সে মুখের ভাব পরিবর্তন করে বলল, “যা সত্যি তাই তো বললাম। আর তাছাড়া আমার ইচ্ছে হয়েছে।” শেষ কথাটা শুনে আমার পুরো শরীরে আগুন ধরে গেল। তবু নিজেকে ধরে রেখে বললাম,“ইচ্ছে হলেই সব করবে নাকি?”
আমায় ভেংচি কেটে বলল,“হ্যাঁ, ইচ্ছে হলে সব করব।” এ কথা শুনে আমি নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলাম না। সমস্ত রাগ শক্তির রূপান্তরের মতো ওর নরম গালে চড় হিসেবে গিয়ে বসল। আমি আর অপেক্ষা না করে বাড়িমুখো হলাম। ওর বান্ধবীরা গালি দিয়ে আমার বংশ উদ্ধার করল। শুধু এটুকু দেখলাম, পেত্নি নিশি গালে হাত দিয়ে মুহূর্তকালের জন্য স্থির হয়েছিল।
বাড়ি এসে উচিত মত একটা কাজ করেছি বলে মনে হলো। এ শাস্তি যে ওর প্রাপ্য ছিল সে নিয়ে আর বিচার বিশ্লেষণ করলাম না। তবে চড়টা কী আমি দিয়েছি নাকি আমাকে দিয়ে কেউ দিয়েছে সে বিষয়ে যথেষ্ট সংশয় ছিল। আমার হাত কেমন করে উঠেছিল তা আমার কাছে মহাবিশ্বের রহস্যের মত রহস্যজনক মনে হলো।
মন থেকে রাগ মুছে গেলে মানুষ অনেক কিছু ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখতে পারে। আমার অবস্থাও হলো ঠিক তাই। মনের ভেতর কেমন যেন অনুশোচনা হতে লাগল। বার বার মনে হতে লাগল কাজটা ঠিক করিনি। সারাদিন কোন কাজে মন বসাতে পারলাম না। মনটা কেমন যেন আকুলি- বিকুলি করতে লাগল।
বিকেলবেলা তুরাব, অনিক আর স্নিগ্ধদের সাথে ক্রিকেট খেলতে মাঠে গেলাম। খেলাতেও ঠিক মন বসাতে পারলাম না । আগে যেখানে বল করতে নেমে এক ওভারে দুই তিনটা উইকেট ফেলে দিতাম আজ সেখানে এক ওভাবে দিলাম, পাঁচ-পাঁচটা ওয়াইড। ব্যাটিংয়েও ব্যর্থ, দশ রানের বেশি করতেই পারলাম না। সবাই বলল,“কিরে আজ তোর এ অবস্থা কেন? একেবারেই যে পারছিস না।” আমি কোন উত্তর দিলাম না।
রাতের বেলা পড়তে গিয়েও একই অবস্থা হল। বার বার উচ্চস্বরে পড়েই যাচ্ছি কিন্তু মাথায় কিছু ঢুকল বলে মনে হয় না। সামনে বই খোলা রেখে নিশির গালে হাত ধরা সেই স্তম্ভিত মূর্তিটা চোখে ভাসতে লাগল। মনের ভেতর থেকে পেতিœ ভাবটা কেটে গিয়ে সদা হাস্যোজ্জল, সবার সাথে বন্ধুসুলভ একটা মেয়ের ছবি ভাসতে লাগল। ওর সাথে পূর্বেকার ঘটনাগুলো মনে পড়তে লাগল। আর নিজেকে কেমন যেন অপরাধী মনে হল। কী করব ভেবেও পেলাম না। শুধু নিজেকে শাসন করে বললাম, “একটু না হয় বাদরামি করলই, তাই বলে চড় মারতে হয় নাকি!”
No comments:
Post a Comment