পরদিন ‘ভাতের জোরে’ পত্রিকায় চার কিশোরের দু:সাহসিক অভিযান নামে বড় করে গল্পাকারে একটা প্রতিবেদন ছাপা হলো। আমার কথাই বেশী লেখা হয়েছে। এটা দেখে অনিক, নিশি , ঝুমুর, স্নিগ্ধরা ইর্ষায় জ্বলে গেল, ওদের কথাও লিখছে কিন্তু তেমন ভাবে নয়। বেশ কয়েকটি পত্রিকায় এ নিয়ে রিপোর্ট ছেপেছে।
আমরা যখন পত্রিকার রিপোর্টগুলি পড়ছি তখন সিদ্দিক এসে খবর দিল, “আজ তো স্যারদের সাথে ক্রিকেট ম্যাচ, খেলতে যাবি না?”
“আরে তাই তো, ভুলেই-তো গিয়েছিলাম।”
ব্যাট বল নিয়ে রেডি হয়ে সবাই মাঠে রওনা হলাম। রাস্তায় বেড়িয়ে দেখলাম মানুষজন আমায় অন্য চোখে দেখছে। নিজেকে কেমন যেন নায়ক নায়ক মনে হলো। পাশে একটা নায়িকা থাকলে মন্দ হতো না!
মাঠে গিয়ে দেখি সবাই রেডি, খেলার শুরুতেই টচ হল। টচে জিতে আমি ব্যাট করতে নেমে গেলাম। খেলোয়াড়ি পোষাকে স্যারদের অদ্ভুদ লাগছে। টি-শার্টের নিচ দিয়ে শফিক স্যারের বিশাল ভূড়িটা বেড়িয়ে আসছে। ক্যাপ দিয়ে রেজা স্যারের টাক ঢাকার আপ্রাণ চেষ্টা!
পেরেগ স্যার চিকন লিকলিকে দেহটা নিয়ে বল করতে আসলেন । আমিও জোরে ব্যাট চালিয়ে দিলাম। কিন্তু শফিক স্যারের ভুড়িতে লেগে বলটা থেমে গেল। ক্যাচটাও অবশ্য ফসকালেন।এক রান নিয়ে শাšত থাকতে হল।এবার স্ট্রাইকে গেল অনিক। ব্যাটে বলে ভালই মিলাল কিন্তু সর্বভুকখ্যাত গণেশ স্যার সেটা মুখে পুড়ে নিলেন। বলটা তার মুখে এমনভাবে সেটে গেল যে অনেক চেষ্টা করেও বের করা গেল না! বল মুখে নিয়ে স্যারকে পুরো হা হয়ে থাকতে হল। আর অনিকও আউট হয়ে গেল।
নতুন বল আনা হল। দ্বিতীয় ওভারে আমি আবার স্ট্রাইকে গেলাম এবং রীতিমত বল আসল। দিলাম ব্যাট চালিয়ে, বলও ফড়ফড় করে উড়তে লাগল। বাউন্ডারিতে ছিলেন বিষু স্যার, যাকে কিনা আমরা যমের মত ভয় পাই। বলটাও কেমন পাজি, স্যারের টাকের উপর পড়ে অভার বাউন্ডারী হয়ে গেল।
স্যার প্রচন্ড রেগে একটা স্ট্যাম্প তুলে রীতিমতো আমার তেড়ে এসে বললেন, “তবে রে আমার টাক সই করে মারা হচ্ছে!! ”
আমি আর কি করি ব্যাট হাতে দিলাম দৌড়!
আমরা যখন পত্রিকার রিপোর্টগুলি পড়ছি তখন সিদ্দিক এসে খবর দিল, “আজ তো স্যারদের সাথে ক্রিকেট ম্যাচ, খেলতে যাবি না?”
“আরে তাই তো, ভুলেই-তো গিয়েছিলাম।”
ব্যাট বল নিয়ে রেডি হয়ে সবাই মাঠে রওনা হলাম। রাস্তায় বেড়িয়ে দেখলাম মানুষজন আমায় অন্য চোখে দেখছে। নিজেকে কেমন যেন নায়ক নায়ক মনে হলো। পাশে একটা নায়িকা থাকলে মন্দ হতো না!
মাঠে গিয়ে দেখি সবাই রেডি, খেলার শুরুতেই টচ হল। টচে জিতে আমি ব্যাট করতে নেমে গেলাম। খেলোয়াড়ি পোষাকে স্যারদের অদ্ভুদ লাগছে। টি-শার্টের নিচ দিয়ে শফিক স্যারের বিশাল ভূড়িটা বেড়িয়ে আসছে। ক্যাপ দিয়ে রেজা স্যারের টাক ঢাকার আপ্রাণ চেষ্টা!
পেরেগ স্যার চিকন লিকলিকে দেহটা নিয়ে বল করতে আসলেন । আমিও জোরে ব্যাট চালিয়ে দিলাম। কিন্তু শফিক স্যারের ভুড়িতে লেগে বলটা থেমে গেল। ক্যাচটাও অবশ্য ফসকালেন।এক রান নিয়ে শাšত থাকতে হল।এবার স্ট্রাইকে গেল অনিক। ব্যাটে বলে ভালই মিলাল কিন্তু সর্বভুকখ্যাত গণেশ স্যার সেটা মুখে পুড়ে নিলেন। বলটা তার মুখে এমনভাবে সেটে গেল যে অনেক চেষ্টা করেও বের করা গেল না! বল মুখে নিয়ে স্যারকে পুরো হা হয়ে থাকতে হল। আর অনিকও আউট হয়ে গেল।
নতুন বল আনা হল। দ্বিতীয় ওভারে আমি আবার স্ট্রাইকে গেলাম এবং রীতিমত বল আসল। দিলাম ব্যাট চালিয়ে, বলও ফড়ফড় করে উড়তে লাগল। বাউন্ডারিতে ছিলেন বিষু স্যার, যাকে কিনা আমরা যমের মত ভয় পাই। বলটাও কেমন পাজি, স্যারের টাকের উপর পড়ে অভার বাউন্ডারী হয়ে গেল।
স্যার প্রচন্ড রেগে একটা স্ট্যাম্প তুলে রীতিমতো আমার তেড়ে এসে বললেন, “তবে রে আমার টাক সই করে মারা হচ্ছে!! ”
আমি আর কি করি ব্যাট হাতে দিলাম দৌড়!
No comments:
Post a Comment